এসআইআর নিয়ে ধৃত বিশিষ্ট আইনজীবী মোফাক্কেরুলের সঙ্গে ইক্রামূল বাগানীর মুক্তির দাবিতে পথসভা
গালিব ইসলাম : মানবাধিকার কর্মী ও ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক ইক্রামুল বাগানীর মুক্তির দাবি করে একটি পথসভার আয়োজন করা হয়, ৮ এপ্রিল সোনারপুরে।
ধৃতদের মুক্তি দাবি করে সোনারপুর এপিডিআর এর পক্ষে এদিন পথাসভায় বক্তব্য রাখেন দেবব্রত ভট্টাচার্য, জগদীশ সরদার, গালিব ইসলাম, সাহানারা খাতুন প্রমুখ আরও অনেকেই। উপস্থিত ছিলেন এপিডিআর এর রাজ্য সম্পাদক আলতাফ আহমেদ। জনবিরোধী

এসআইআর নিয়ে বিক্ষোভে আইনজীবী সাংবাদিকদের হেফাজতে নিয়ে তদন্ত করার বিরুদ্ধে সোচ্চার হন।একটি স্বাধীন দেশে ভোটার তালিকায় নাম কেটে রাষ্ট্রহীন করার গভীর চক্রান্তকে প্রবল ধিক্কার জানান।
অনুপ্রবেশ কারী বাংলাদেশি মুসলমান ও রোহিঙ্গা মুসলমানদের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযানের ন্যারেটিভের স্পষ্ট বিরোধিতা করা হয়।
এদিনের পথসভায় অনুপ্রবেশের ফলে ডেমোগ্রাফি উদ্বেগজনকভাবে বদলে যাচ্ছে বলে যে অভিযোগ প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ সরকারের কর্নধাররা করে চলেছেন অবিরাম, তাকে মিথ্যা বলে খন্ডন করে পথসভায় দাবি করা হয়, এইসব মিথ্যা অভিযোগ ক্রমশঃই রাষ্ট্রের সন্দেহ ও হুমকির মুখে প্রতিমুহূর্ত নাগরিককে ফেলে দেওয়া হচ্ছে।
পথসভায় দাবি করা হয়, এসআইআর এর ফলে আতঙ্ক উদ্বেগে দু শতেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। বহু পরিবার একেবারে পথে বসে গেছে। এছাড়া, এসআইআর আইন প্রয়োগের ফলে ৯১ লক্ষ মানুষকে রাষ্ট্রচ্যূত করে দিতে চাইছে সরকার। ইতিমধ্যে বিপুল সংখ্যক মানুষকে বাধ্যতামূলক ঘেটোযাপনের দিকে ঠেলে দেওয়ার যে নীতি তার তীব্র সমালোচনা করা হয় আজকের পথসভার মঞ্চ থেকে।
পথসভায়, নাগরিকের ভোট দানের অধিকারের ওপর কোপ দেওয়া হচ্ছে বলে বক্তারা বাংবার হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, অবিলম্বে এসআইআর এর মতো একটি হিংসামূলক নীতি সরকারের পরিত্যাগ করা উচিত । রাজনৈতিক
অধিকার কেড়ে নিয়ে ভোটার তালিকা থেকে নাম কেটে রাষ্ট্রহীন করে দেওয়ার কৌশল অবিলম্বে বন্ধ না করলে বৃহত্তর গণআন্দোলনের পথে পা বাড়াতে বাধ্য হবেন জনগণ হুঁসিয়ারি দেন বক্তারা।
এসআইআর ক্ষমতার কুর্সি দখল করার নগ্ন নীতি ছাড়া আর কিছু নয়। এসআই আর কে সামনে রেখে বৈষম্যমূলক যে নীতি নিচ্ছে সরকার, তা সামগ্রিক অর্থে ভয়াবহ। পথসভায় এসআইআর প্রক্রিয়া বাতিলের দাবি তোলেন বক্তারা।

